অদম্যমেধাবী : তবু মাথা নোয়াবার নয়

Adammo-Madhabi-Mnemonic-Final-[Converted]হার না মানা, মাথা না নোয়ানো জীবনসংগ্রামের গল্প তাঁদের। সুযোগ-সুবিধার মুখাপেক্ষী না থেকে প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়ে চলেছেন। ‘ভাগ্যের’ ওপর দায় না চাপিয়ে প্রাণশক্তিতে ভর করে এগিয়ে চলার প্রত্যয় তাঁদের। তাঁদের চেষ্টা, পরিশ্রম বৃথা যায়নি। এসএসসির পর এইচএসসি পরীক্ষায়ও কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। সিলেটের নাদিম আহমেদ, কুমিল্লার ইমরান হোসেন, ময়মনসিংহের সীমা আক্তার, কক্সবাজারের মো. জোবাইর, সুনামগঞ্জের শামীমা আক্তার যেন জীবনপথের দুঃসাহসী অভিযাত্রী। পাঁচজনই এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

দারিদ্র্যের সঙ্গে বসবাস অদম্য মেধাবী এই পাঁচ শিক্ষার্থীর। ২০১২ সালে এসএসসি পাসের পর ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগিতায় প্রথম আলো ট্রাস্টের পক্ষ থেকে তাঁদের দেওয়া হয় শিক্ষাবৃত্তি। তাঁদের সঙ্গে শিক্ষাবৃত্তি পান ওই বছর এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া ৫০ শিক্ষার্থী। কলেজে ভর্তি হওয়ার পর থেকে প্রতি মাসে ব্র্যাক ব্যাংক-প্রথম আলো অদম্য মেধাবী তহবিল থেকে তাঁদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হতো। পড়ার খরচ জোগাতে টানা ২৪ মাস এই আর্থিক সুবিধা তাঁরা পেয়ে আসছিলেন। এ ছাড়া শিক্ষা উপকরণ কেনার জন্যও তাঁদের এককালীন আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।
বৃত্তি পাওয়া ৫০ জনের মধ্যে অন্তত (প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী) ২৪ জন এবারও জিপিএ-৫ পেয়েছেন। তিনজন শিক্ষার্থী কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় ডিপ্লোমা প্রকৌশল কোর্সে পড়ছেন বিভিন্ন ইনস্টিটিউটে। অন্যরা জিপিএ-৫ না পেলেও ভালো ফল করেছেন।
নাদিম আহমেদ: সিলেট শহরের মিরাবাজার এলাকার কেউ হয়তো কৈশোর পেরোনো নাদিম আহমেদকে চিনে থাকতে পারেন। যাঁরা চেনেন, তাঁদের কাছে নাদিমের পরিচিতি পান দোকানদার। জর্দা, চুন, সাদাপাতা, বাহারি মসলা মিলিয়ে ‘জবর’ পান তৈরি করতে পারেন নাদিম। রাস্তার পাশে ফুটপাতে টংঘরে বসে দোকানদারি করেই পরিবারের জন্য ভাত-পানির ব্যবস্থা করতে হতো তাঁকে। তাই বলে ক্লাসে যাওয়া বন্ধ করেননি তিনি। প্রতিদিন সকাল নয়টা থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত নিয়মিত ক্লাস করতেন। ওই সময়টুকু তাঁর বাবা দোকানে বসতেন। শ্রেণিকক্ষের বাইরে নাদিমের যে অন্য পরিচয় রয়েছে, সে খবর তাঁর সহপাঠীদের কাছে ছিল অনেকটাই অজানা।
নাদিমের হার না মানা এই মানসিকতা ও পরিশ্রম বৃথা যায়নি। সিলেট এমসি কলেজ থেকে এ বছর বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছেন নাদিম।
শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভোগা বাবা আর মাকে নিয়ে সিলেটের রায়নগর সোনারপাড়া এলাকায় ভাড়া করা ছোট্ট ঘরে থাকেন নাদিম। তবে তাঁদের মূল বাড়ি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার কুশমাইল গ্রামে। পান দোকানের আয় দিয়েই বিয়ে দিয়েছেন দুই বোনকে। তবে আর্থিক সংকট তাঁকে লক্ষ্যভ্রষ্ট করেনি। নাদিম বলেন, ‘পরিবারে আর্থিক অনটন রয়েছে ঠিকই, তবে আমি কখনোই স্বপ্ন থেকে পিছপা হইনি। তাই সাফল্য এসেছে।’ তাঁর স্বপ্ন প্রকৌশলী হওয়া।
নাদিমের বাবা বুলবুল আহম্মদ বলেন, ‘আমার কর্মক্ষমতা নেই। একমাত্র ছেলে নাদিমই সংসার চালাচ্ছে। এত কষ্ট সত্ত্বেও সে ভালো ফল করায় আমরা খুব খুশি।’
নাদিমের এই সাফল্য অন্যদের অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে মনে করেন এমসি কলেজের উপাধ্যক্ষ হায়াতুল ইসলাম আকঞ্জি। তিনি বলেন, যদি মনে প্রবল ইচ্ছা থাকে তাহলে দারিদ্র্য কখনোই বাধা হতে পারে ন।
নাদিমের পান দোকানের পাশেই আসবাবের দোকান। ওই দোকানের মালিক জিয়াউল হক বলেন, নাদিমের পরিশ্রম করার ক্ষমতা অসাধারণ। চেষ্টা ও বিনয় তাঁকে বহুদূর নিয়ে যাবে।
এর আগে ২০১২ সালে সিলেট দ্য এইডেড হাইস্কুল থেকে এসএসসিতে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন নাদিম। ওই সময় তাঁর সাফল্যের খবর প্রকাশিত হয় প্রথম আলোতে। পরে ব্র্যাক ব্যাংক-প্রথম আলো অদম্য মেধাবী তহবিল থেকে তাঁকে শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হয়।
ইমরান হোসেন: বর্ষা মৌসুমে কোনো কাজ জোটে না খোকন মিয়ার। বছরের এই সময়টা তাই খেয়ে না-খেয়ে থাকতে হয় তাঁর পরিবারকে। ছেলেমেয়েরা পড়ালেখা করুক এমন ইচ্ছাও তাঁর ছিল না। এর চেয়ে তাঁর সঙ্গে অন্যের জমি চাষে কায়িক শ্রম দিলে বাড়তি কিছু পয়সা আসে। দুমুঠো ভাতের ব্যবস্থা হয়। তিন সন্তানসহ পাঁচজনের পরিবারের ভরণপোষণের ব্যবস্থা করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন তিনি।
বাবার এই কষ্ট বুঝতে সমস্যা হয় না ইমরান হোসেনের। তবে তাঁর ভেতরে বড় কিছু করার স্বপ্ন বাসা বেঁধেছে। লেখাপড়া ছাড়া এই স্বপ্নপূরণের আর কোনো পথও যে জানা নেই তাঁর! একটা সময় ছেলের আগ্রহের কাছে হার মানেন বাবা খোকন মিয়া। উল্টো টিউশনি (গৃহশিক্ষকতা) করে সংসার চালাতে বাবাকে কিছুটা সাহায্যও করতে পারেন তিনি।
ইমরানদের বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার বড়গোয়ালী গ্রামে। ভূমিহীন এক পরিবারে জন্ম তাঁর। মাথা গোঁজার ঠাঁই হয়েছে অন্যের কৃপায়। তবে কী আছে আর কী নেই—এ নিয়ে ভেবে সময় নষ্ট করতে চান না ইমরান। তাঁর সব মনোযোগ শুধু লেখাপড়া ঘিরে। এই অদম্য মানসিকতা সাফল্য এনে দিয়েছে তাঁকে। এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় দাউদকান্দির জুরানপুর আদর্শ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে ব্যবসায় শিক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন তিনি। এর আগে ২০১২ সালে চরগোয়ালী খন্দকার নাজির আহাম্মেদ উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পান তিনি। পড়াশোনায় যাতে কোনো ছেদ না পড়ে, সে জন্য ব্র্যাক ব্যাংক-প্রথম আলো অদম্য মেধাবী তহবিল থেকে তাঁকে শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হয়েছিল।
ইমরানের মা নিলুফা আক্তার বলেন, ‘ছেলেমেয়েদের মুখে ঠিকমতো ভাত তুলে দিতে পারি না। তারা কষ্ট করেই পড়ছে।’
ইমরান বলেন, ‘লেখাপড়ার পাশাপাশি প্রতিদিন চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা টিউশনি করাতাম। এতে আড়াই থেকে তিন হাজার টাকা আসে। এই টাকা থেকে নিজের পড়ার খরচ রেখে বািকটুকু সংসারের কাজে লাগাই।’ উচ্চশিক্ষার বিষয়ে ইমরান বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চাই। এখন সে প্রস্তুতি নিচ্ছি।’
জুরানপুর কলেজের অধ্যক্ষ শরীফুল ইসলাম বলেন, ‘লেখাপড়ায় ইমরানের আগ্রহ দেখে যতটুকু সম্ভব কলেজের পক্ষ থেকে আমরা তাঁকে সহযোগিতা করেছি। সুযোগ পেলে সে ভবিষ্যতে আরও ভালো ফল করবে।’
সীমা আক্তার: বাড়ি থেকে পাঁচ কিলোমিটার হেঁটে কলেজে যেতে হতো সীমা আক্তারকে। ফেরার পথেও একই দূরত্ব। অথচ হেঁটে দীর্ঘ ১০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়া কখনোই ক্লান্তিকর মনে হয়নি সীমার কাছে। তাঁর কাছে এ যেন আলোর পথে যাত্রা।
সীমাদের বাড়ি ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার ভাটিসাভার গ্রামে। তাঁর বড় তিন বোনের লেখাপড়ার সুযোগ হয়নি। বাবা আবদুল বারিক দিনমজুর। চার মেয়ে, দুই ছেলেসহ আট সদস্যের পরিবার তাঁর। লেখাপড়ার প্রতি ছোট মেয়ে সীমার আগ্রহ দেখে বাদ সাধেননি তিনি। ভিটেমাটি ছাড়া সহায়সম্বল বলতে তাঁর আর কিছু নেই। কিন্তু মেয়ের স্বপ্ন তো সীমানা ছাড়ানো।
স্বপ্নপূরণের দ্বিতীয় ধাপে এবার এইচএসসি পরীক্ষায় বাণিজ্য বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন সীমা। ময়মনসিংহের নান্দাইলের সমুর্ত্তজাহান মহিলা ডিগ্রি কলেজের ছাত্রী তিনি। এর আগে ২০১২ সালে নান্দাইল পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন। আর্থিক অসংগতির কারণে শিক্ষাজীবনের মাঝপথে যাতে সীমা ঝরে না পড়েন, সে জন্য ব্র্যাক ব্যাংক-প্রথম আলো অদম্য মেধাবী তহবিল থেকে তাঁকে বৃত্তি দেওয়া হয়।
সীমা ভালো ফল করার পরও বাবা আবদুল বারেক মেয়ের উচ্চশিক্ষা নিয়ে সংশয়ে আছেন। তিনি বলেন, ‘আমার অভাবের সংসার। এখন পড়ার খরচ আরও বাড়বে। আমি কীভাবে মেয়ের আশা পূরণ করব…।’
সীমা বলেন, লেখাপড়া শেষ করে বিসিএস পরীক্ষা দিয়ে সরকারি চাকরি করার ইচ্ছা রয়েছে তাঁর। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারাটাই এখন প্রধান লক্ষ্য।
শামীমা আক্তার: জেলে নৌকায় শ্রমিকের কাজ করেন বাকপ্রতিবন্ধী নূরুল আলম। প্রতিদিন আয় ১৫০ টাকা। রোজগারের টাকা হাতে পাওয়ামাত্রই সেখান থেকে ২০ টাকা আলাদা করে রাখেন। বািক ১৩০ টাকা সংসার খরচ। এর মধ্যে নুন, তেল কোনোটা বাদ গেলেও ওই ২০ টাকায় হাত দেন না। ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া শিখছে। ওই ২০ টাকা তাদের পড়ার খরচ।
সুনামগঞ্জ শহরের উত্তর আরপিননগর এলাকায় থাকেন নূরুল আলম। ছোট্ট একচালা একটি টিনের ঘরে পাঁচ ছেলেমেয়েকে নিয়ে নূরুল আলম ও খাদিজা বেগম দম্পতির সংসার। এই দম্পতির জীবনে আবারও আনন্দের উপলক্ষ হয়ে এসেছে মেয়ে শামীমা আক্তারের কৃতিত্ব। এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন তিনি। এর আগে ২০১২ সালে সুনামগঞ্জ সরকারি এসসি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন। ওই সাফল্যের পর তাঁকে ব্র্যাক ব্যাংক-প্রথম আলো অদম্য মেধাবী তহবিল থেকে বৃত্তি দেওয়া হয়।
শামীমার মা খাদিজা বেগম বলেন, ‘মেয়ে লেখাপড়া করে অনেক বড় হবে। চাকরি করবে। সংসারের অভাব দূর হবে—এই স্বপ্ন তাঁর।’
মায়ের স্বপ্নপূরণে দৃঢ় প্রতিজ্ঞার কথা জানিয়ে শামীমা বলেন, ‘এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার স্বপ্ন দেখছি। আমি চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হতে চাই।’
মো. জোবাইর: সকালে কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর অস্থির লাগে কবির আহমদের। যদি কাজ না জোটে তাহলে রাতটা যে না খেয়েই কাটাতে হবে স্ত্রী, ছেলেমেয়েদের। দিনমজুর কবির আহমদের ভাগ্যে রোজ কাজ জোটে না। তাই মাসের কোনো না-কোনো দিন অনাহার-অর্ধাহারে থাকতে হয়েছে তাঁর ছয় ছেলেমেয়েকে।
দিনমজুর বাবার সন্তান হওয়ায় জন্মের পর থেকেই জোবাইরকে এই নির্মম বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। এই বাস্তবতা মেনেই জোবাইর নতুন জীবন গড়তে চেয়েছেন লেখাপড়া শিখে। পরিশ্রম, নিষ্ঠা আর একাগ্রতা দিয়েই সফল হতে চেয়েছেন জীবনে। পুরস্কারও মিলতে শুরু করেছে। চট্টগ্রাম সরকারি কমার্স কলেজ থেকে এবার এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছেন তিনি।
জোবাইরদের বাড়ি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের পানছড়িপাড়া গ্রামে। ভিটেমাটি ছাড়া তাঁদের কোনো জমি নেই। মা রহিমা খাতুন গৃহিণী। পাঁচ ভাই, এক বোনের মধ্যে জোবাইর তৃতীয়। এর আগে ২০১২ সালে এসএসসি পরীক্ষায় সাবরাং উচ্চবিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন। তাঁকেও ব্র্যাক ব্যাংক-প্রথম আলো অদম্য মেধাবী তহবিল থেকে বৃত্তি দেওয়া হয়।
এইচএসসিতে পড়ার সময় বৃত্তির পাশাপাশি টিউশনি করে চট্টগ্রামে থাকা-খাওয়ার খরচ জোগাতে হয়েছে জোবাইরকে। পাশাপাশি নিজের উপার্জন থেকে টাকা জমিয়ে তা বাড়িতে পাঠিয়েছেন সংসারের জন্য।
উচ্চশিক্ষার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চান জোবাইর। তিনি বলেন, ‘জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে পারলে ইচ্ছা আছে দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়াব। অর্থকষ্টের কারণে কারও শিক্ষাজীবন যেন সংশয়ের মুখে না পড়ে সে চেষ্টা করব।’
কবির আহমদ বলেন, ‘পড়াশোনা শেষ করে ভালো চাকরি করবে জোবাইর এটাই চাওয়া আমাদের।’
অদম্য মেধাবী শিক্ষার্থীরা শিক্ষাজীবনের মাঝপথে আর্থিক টানাপোড়েনের কারণে যেন ঝরে না পড়ে, সে জন্য ২০০৭ সাল থেকে শিক্ষাবৃত্তি চালু করে প্রথম আলো। দিনে দিনে বৃত্তি পাওয়া মেধাবী শিক্ষার্থীর সংখ্যা যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে সঙ্গে এই কার্যক্রমের পরিসরও। পরে প্রথম আলো ট্রাস্ট শিক্ষাবৃত্তি কার্যক্রম পরিচালনা করে। ২০১০ সাল থেকে অদম্য মেধাবীদের আর্থিকভাবে সহায়তা দেওয়ার এই কার্যক্রমে প্রথম আলো ট্রাস্টের সঙ্গে যুক্ত হয় ব্র্যাক ব্যাংক। গঠন করা হয় ব্র্যাক ব্যাংক-প্রথম আলো অদম্য মেধাবী তহবিল।
[প্রতিবেদন তৈরিতে সহায়তা করেছেন সুমনকুমার দাশ, সিলেট; খলিল রহমান, সুনামগঞ্জ; মো. আবদুর রহমান, দাউদকান্দি (কুমিল্লা); গিয়াস উদ্দিন, টেকনাফ (কক্সবাজার); রমেশ কুমার, নান্দাইল (ময়মনসিংহ)}