অভিযুক্তদের বিচার চেয়ে বন্ধুসভার মানববন্ধন

Brahmanbaria Human Chain Pic_ (11)গৃহবধূকে অ্যাসিড নিক্ষেপ

অভিযুক্তদের বিচার চেয়ে বন্ধুসভার মানববন্ধন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি | আপডেট: ০১:৪৭, ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০১৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গৃহবধূর ওপর অ্যাসিড নিক্ষেপকারীদের গ্রেপ্তার ও তাঁদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন প্রথম আলো ব্রাহ্মণবাড়িয়া বন্ধুসভার সদস্যরা। তানিয়া আক্তার (৩০) নামের ওই গৃহবধূ গত বুধবার নিজ বাড়িতে অ্যাসিড–সন্ত্রাসের শিকার হন। তাঁর দুটি সন্তান আছে।
অ্যাসিডদগ্ধ নারীদের জন্য প্রথম আলো ট্রাস্ট সহায়ক তহবিলের উদ্যোগে গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন হয়। বন্ধুসভার সদস্যসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ২০০ শিক্ষার্থী এতে অংশ নেয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে মানববন্ধন শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন জেলা প্রেসক্লাবের সদস্যসচিব রিয়াজ উদ্দিন, সাংবাদিক পীযূষ কান্তি আচার্য, ইব্রাহিম খান ও মোশারফ হোসেন এবং নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক রতন কান্তি দত্ত, ইউনাইটেড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হারুন অর রশিদ, খেলাঘরের সাধারণ সম্পাদক নিহার রঞ্জন সরকার, বন্ধুসভার সভাপতি অভিজিৎ রায়, সদস্য সেঁজুতি আক্তার ও শারমিন আক্তার।
মানববন্ধনে বক্তারা তানিয়ার ওপর অ্যাসিড নিক্ষেপের ঘটনার প্রতিবাদ ও তীব্র নিন্দা জানিয়ে ঘটনায় জড়িত সবাইকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। বক্তারা প্রথম আলো ট্রাস্টের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন।
গত বুধবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে শহরের দক্ষিণ মৌড়াইল এলাকায় স্বামীর বাড়িতেই তানিয়া আক্তারের ওপর অ্যাসিড হামলা চালানো হয়। পুলিশের কাছে তানিয়া দাবি করেন, তাঁর স্বামী নজরুল ইসলাম দলবল নিয়ে এই হামলা চালিয়েছেন। তাঁর কথার ভিত্তিতে ওই রাত সাড়ে ১১টায় মৌড়াইল এলাকা থেকে নজরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পরের দিন নজরুল ইসলামকে প্রধান আসামি করে তিনজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন গৃহবধূর মামা গোলাম মহিউদ্দিন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ফায়জুর রহমান বলেন, তানিয়ার শরীরের প্রায় ২৫ শতাংশ ঝলসে গেছে। তিনি বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
গত শুক্রবার ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অ্যাসিড-সন্ত্রাসের শিকার গৃহবধূ, স্বামী আটক’ শিরোনামে প্রথম আলোয় একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়।