প্রথম আলো ট্রাস্ট ও বিভিন্ন মানুষের সহযোগিতায় এগিয়ে যাওয়ার গল্প ছিল তাঁদের। তাঁদের কেউ অ্যাসিডদগ্ধ, কেউ দারিদ্র্যের কশাঘাতে জর্জরিত। সেই গল্প গতকালও তাঁরা শোনালেন ১৬ বছর পূর্তির অনুষ্ঠানে

প্রতিবন্ধকতা হাজারো। সেসব ডিঙিয়েই এগিয়ে চলেছেন সামনে। তাঁদের কেউ অ্যাসিডদগ্ধ, কেউ দারিদ্র্যের কশাঘাতে জর্জরিত। প্রথম আলোর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর পাঠকমেলায় এসেছিলেন তাঁরাও। বিভিন্ন সময়ে প্রথম আলোতে প্রকাশিত সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে বদলে গেছে তাঁদের জীবন।
তাঁরা পাঠকদের শুনিয়েছেন প্রথম আলো ট্রাস্ট ও বিভিন্ন মানুষের সহযোগিতায় তাঁদের এগিয়ে যাওয়ার গল্প। ফিচার সম্পাদক সুমনা শারমীন এ পর্ব সঞ্চালনা করেন।
অ্যাসিডদগ্ধ শামীমা আক্তার এখন ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ে তৃতীয় বর্ষে পড়ছেন। স্বপ্ন দেখেন বিশ্বের সেরা ফ্যাশন ডিজাইনার হওয়ার। জানালেন, ২০০৫ সাল থেকে প্রথম আলো ট্রাস্টের সহযোগিতায় এ স্বপ্ন বুনছেন তিনি।
জয়নাল মিয়ার রিকশা চালিয়ে হাসপাতাল তৈরির গল্পটি মনে আছে? তিনি বললেন প্রথম আলোতে সংবাদ প্রকাশের পর কীভাবে দেশ-বিদেশ থেকে মানুষ তাঁর মমতাজ হাসপাতাল নির্মাণে সহযোগিতা করেছেন। পিন–পতন নীরবতায় সাহসী এসব মানুষের গল্প শুনেছেন দর্শক। তুমুল করতালিতে অভিনন্দিত করেছেন তাঁদের৷
লিংকন চন্দ্র ঘোষ, আনোয়ার হোসেন, রুনা লায়লা ও ফাল্গুনী সাহা, অদম্য মেধাবী তাঁরা। চারজনই পড়ছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে। হতদরিদ্র পরিবার থেকে উঠে আসা এই চার তরুণও শোনালেন প্রতিকূলতাকে ঠেলে এত দূর আসার গল্প। কৃতজ্ঞতা জানালেন প্রথম আলোকে।
নীলফামারীর মাদ্রাসার শিক্ষক রণজিৎ কুমার দিনমজুরি করে শিক্ষকতা কেরন। শোনালেন তাঁর সংগ্রামের গল্প।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের পল্লী চিকিৎসক কানাই চন্দ্র দাসও শোনালেন তাঁর গল্প। আশাবাদ ব্যক্ত করলেন মাদকমুক্ত সমাজের। প্রথম আলো ট্রাস্টের সহযোগিতায় চলে প্রথম আলো চর বিদ্যালয়। এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৬৯। বিদ্যালয়টির শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেন বললেন শিক্ষার্থীদের সাফল্যের কথা। শেষে সবাই মিলে প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন দেশকে এগিয়ে নেওয়ার।